ফারহানা বেগমের বয়স ৩৪। বরিশাল শহরের একটি ছোট্ট ফ্ল্যাটে স্বামী ও দুই সন্তান নিয়ে থাকেন। স্বামীর মাসিক আয় দিয়ে সংসার চলে, কিন্তু মাসের শেষে হিসাব মেলে না। বছর দুয়েক আগে পাড়ার বান্ধবীর মুখে প্রথম শুনেছিলেন 678bt price-এর কথা।
শুরুতে বিশ্বাস হয়নি। ভেবেছিলেন এসব অনলাইন জিনিস প্রতারণা। কিন্তু বান্ধবী যখন নগদ অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকতে দেখালেন, তখন নিজে একটু চেষ্টা করার সিদ্ধান্ত নিলেন। প্রথমে মাত্র ৫০০ টাকা ডিপোজিট করলেন। 678bt price-এ নতুন নিবন্ধনে ওয়েলকাম বোনাস পেলেন, তাই শুরুতেই হাতে বাড়তি কিছু ক্রেডিট ছিল।
ফারহানা টিন প্যাটি দিয়ে শুরু করেন, কারণ এই গেমের নিয়ম তার কাছে সহজ মনে হয়েছিল। প্রথম সপ্তাহে ছোট ছোট বাজি ধরতেন, হেরেও যেতেন, আবার জিততেনও। ধীরে ধীরে বুঝতে পারলেন কখন বড় বাজি ধরতে হয় আর কখন থামতে হয়।
"আমি রোজ বাচ্চাদের ঘুম পাড়িয়ে রাত ১০টার পরে খেলি। ঘণ্টাখানেক। এতটুকু সময়ে যা পাই, সেটা দিয়ে মাসের বাজারের একটা অংশ মিটে যায়।"
— ফারহানা বেগম, বরিশালতিন মাস পর ফারহানার মাসিক গড় আয় দাঁড়িয়েছে ৩,৫০০ থেকে ৪,৫০০ টাকার মধ্যে। তিনি কখনো বড় ঝুঁকি নেন না, নিজের জন্য একটা সীমা নির্ধারণ করে রেখেছেন। 678bt price-এর রেসপন্সিবল গেমিং টুলস ব্যবহার করে সাপ্তাহিক ডিপোজিট লিমিট সেট করা আছে।
ফারহানার গল্পটা বিশেষ এই কারণে যে তিনি কোনো বড় স্বপ্ন দেখে আসেননি। এসেছিলেন সামান্য কিছু বাড়তি রোজগারের আশায়। সেটাই পাচ্ছেন, নিয়মিতভাবে।